দাঁতব্যথায় ভুগছেন,জেনেনিন ঘরোয়া তিন উপাদানে মুক্তির উপায়

জানেন কি, দাঁতব্যথার উপসম রয়েছে আপনার ঘরেই। যেগুলো নিমিষেই আপনার দাঁতব্যথা ভালো করে দেবে। কিছু ভেষজ রয়েছে, যেগুলো ব্যথা কমাতে বেশ উপকারী। এগুলোর ব্যবহার দাঁতব্যথা কমাতে প্রাকৃতিকভাবে কাজ করবে। হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে দাঁতব্যথা কমাতে তিন ভেষজ উপাদানের কথা। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-
লবঙ্গ
লবঙ্গের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ার উপাদান। এই উপাদান ব্যথা কমাতে কার্যকর। দাঁতব্যথা কমাতেও লবঙ্গের কোনো জুড়ি নেই। ব্যথা কমাতে কয়েকটি লবঙ্গ চিবিয়ে নিন। এতে দ্রুত ব্যথা কমে যাবে।
রসুন
রান্নায় রসুনের ব্যবহার খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া রসুনের মধ্যে রয়েছে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। দাঁতব্যথায় রসুন বেটে মাড়িতে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে ব্যথা কমবে।
পেয়ারা পাতা
পেয়ারা পাতা নানান গুণে পরিপূর্ণ। এর মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান। দাঁতব্যথা কমাতে কিছু পেয়ারার পাতা নিয়ে চিবাতে পারেন। পেয়ারার পাতা অথবা পেয়ারা পাতার রস কয়েক মিনিট মুখে রাখুন। এতে দাঁতব্যথা অনেকটা কমবে।
মশার কামড়ে ফোলাভাব ও যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে করণীয়
মশার উপদ্রব যেন বাড়ছেই! বিশেষ করে এই মৌসুমে মশা অনেকটাই বেড়ে যায়। আর তাইতো এই সময় মশাবাহিত বিভিন্ন রোগও বাড়ে। খেয়াল করে দেখেছেন নিশ্চয়, মশা কামড়ালে বিভিন্ন সময় শরীরে লাল হয়ে ফুলে যায়।
সেই সঙ্গে যন্ত্রণা আর চুলকানি হয়ে অনেকের অ্যালার্জিও দেখা দেয়। এর থেকে ত্বকের নানা সমস্যাও হতে পারে। তবে আপনি কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকে ব্যবহারের মাধ্যমে এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। জেনে নিন সেগুলো সম্পর্কে-
> মশা কামড়ানোর স্থান ফুল গেলে বরফ ব্যবহার করুন। ত্বকের ব্যথা ও জ্বালাপোড়া কমাতে বরফ দ্রুত কাজ করে। এছাড়াও ঠাণ্ডা ব্যাগ বা বরফ-কুচি মশা কামড়ানোর স্থানে পাঁচ মিনিট চেপে ধরে রাখুন। দেখবেন দ্রুত ফোলাভাব কমে যাবে।
> মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান। এটা ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে থাকে। মশার কামড়ের জ্বালাপোড়া ভাব ও চুলকানি রোধেও মধু কার্যকরী। এক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ মধু আক্রান্ত স্থানে মেখে কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
> অ্যালোভেরার রস ত্বকের বিভিন্ন প্রদাহ দূর করে। এতে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। যা জ্বালা-পোড়া, ক্ষত ও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। মশা কামড়ানোর স্থানে অ্যালোভেরা কেটে সরাসরি ব্যবহার করুন।
> বেকিং সোডা বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জানেন কি? মশার কামড়ের যন্ত্রণা থেকেও বাঁচায় এই উপাদানটি। এজন্য এক চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন।
> এক্ষেত্রে পেঁয়াজও প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। মশা কামড়ানোর পরপরই কয়েক ফোঁটা পেয়াঁজের রস ব্যবহার করলেই জ্বলুনি কমানো যায়। এতে আছে ফাঙ্গাসরোধী উপাদান। যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
- বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করে যা বললেন ট্রাম্প
- পোশাক বদলের সময় পরিচালক ঢুকে পড়েন’
- উত্তেজনায় কৌশানী, ভাইরাল ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও
- এসএসসি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে যা জানালেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান
- ড. ইউনূস ও মোদির পাশাপাশি বসা ছবি ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড়
- মালয়েশিয়ান রিংগিত রেটের বিশাল লম্বা লাফ
- ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে বিপদে ভারত
- রেমিট্যান্সের রেকর্ড গড়লো প্রবাসীরা
- ইউনূস-মোদির বৈঠক শুরু
- ড. ইউনূসকে যা বললেন নরেন্দ্র মোদি
- ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
- সাধারণ জ্বর সর্দি: লক্ষণ, কারণ, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধের সহজ উপায়
- এখনও বাড়ি ফিরে কেঁদে ফেলি" ঋতুপর্ণা
- বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা, সর্বোচ্চ বেতন ১০ লাখ কে পাচ্ছেন