| ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

'চোখ উঠা' রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

স্বাস্থ্য ডেস্ক . স্পোর্টস আওয়ার ২৪
২০১৮ সেপ্টেম্বর ০৪ ১০:৫৪:৫৫
'চোখ উঠা' রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

চোখ থেকে ঘন হলুদ অথবা সবুজাভ হলুদ রঙের ময়লা জাতীয় পদার্থ বের হতে পারে।

সকালে ঘুম থেকে উঠার পর চোখের দুই পাতা লেগে থাকে।নবজাতকের চোখ উঠা একটি বিশেষ বিষয়। ওষুধপত্র দিলেও নবজাতকের চোখ দুই-তিনদিন লাল অথবা ফোলা থাকতে পারে। যদি লালাভ রং এবং ফোলা দীর্ঘসময় ধরে থাকে তখন অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া দরকার। চোখ উঠলে যা করতে হবে-

যেসব কারণে বিশেষত এলার্জিক কোনো বস্তু, কেমিক্যালস কিংবা পরিবেশ দ্বারা চোখ উঠে সেসব বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। আর যদি আপনার শিশুর চোখ উঠে থাকে সেক্ষেত্রেও হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চোখের পাতাগুলো খোলা রাখতে হবে। বড় বাচ্চারা চোখে কালো চশমা পরতে পারে।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন

যখন আপনার শিশুর চোখ থেকে ঘন হলুদ কিংবা সবুজাভ হলুদ রঙের তরল পদার্থ বের হয়।চোখ ব্যথার কথা বলে।প্রচণ্ড সূর্যালোকেও চোখ ব্যথা করলে।

যখন চোখে একদমই কিছু দেখতে পারে না অথবা পারলেও দেখতে সমস্যা হয়।যখন পরিবেশগত বিষয়ে কিংবা কোনো এলার্জিক বস্তুর জন্য চোখে অসুবিধা অনুভব করে।শিশুর বয়স যদি ২ মাসের কম হয়।চোখের পাতা যদি ফুলে উঠে কিংবা লাল হয়ে যায়।যা করবেন না-

কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।শিশুকে জোর করে চোখ খুলতে বলা যাবে না।চোখ উঠা থেকে যে জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে-

কর্নিয়ায় ঘা, কর্নিয়া ছিদ্র হয়ে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

প্রতিকার-

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চোখ উঠা বা কনজাংটিভাইটিস পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবার পৃথক কাপড়, তোয়ালে থাকতে হবে।পুরো হাত ভালোমতো পরিষ্কার করতে হবে।

যেসব বিষয় শিশুর জন্য এলার্জিক তা থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে।প্রতিরোধ:চোখ উঠা রোগ থেকে বাঁচতে হলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা মেনে চলা উত্তম। প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলো হল:

এক জনের ব্যবহৃত তোয়ালে অন্যজন ব্যবহার না করা।আক্রান্ত চোখ স্পর্শ করলে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া।

ডাক্তারের পরামর্শমত সঠিকভাবে সঠিক সময় ঔষধ নেয়া।ঘনঘন চোখ ঘষা থেকে বিরত থাকা ও চোখে বার বার পানির ঝাপসা না দেয়া।অসুস্থ চোখে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা যাবে না।

ধূলা-বালি ও সূর্যের আলো থেকে চোখ রক্ষায় কালো সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে।পুকুরের পানিতে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে হবে।চোখ উঠা ছোঁয়াচে রোগ। তাই পরিবারের অন্যান্যদের সাথে মেলামেশা কমানো উচিৎ।শিশুদের চোখ উঠলে হালকা বা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে হবে। চোখের পাতা খোলা রাখতে হবে। তবে জোর করে চোখ খোলার চেষ্টা করবেন না।

চোখের যেকোনো রোগেই অবহেলা করবেন না। কারণ সামান্য ভুলের জন্য সারাজীবন আফসোস করা লাগতে পারে। উপরের পরামর্শগুরো কেবলই সচেতনতার জন্য। চোখের যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

সূত্র: জাতীয় ই-তথ্যকোষ

ক্রিকেট

মাত্র ১৩ রান করেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিশ্ব রেকর্ড

মাত্র ১৩ রান করেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিশ্ব রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রান করার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের ...

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা, সর্বোচ্চ বেতন ১০ লাখ কে পাচ্ছেন

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা, সর্বোচ্চ বেতন ১০ লাখ কে পাচ্ছেন

আগামী একবছরের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাওয়া ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ...



রে