| ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

টিকটকারদের জন্য চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিনোদন ডেস্ক . স্পোর্টস আওয়ার ২৪
২০২৩ অক্টোবর ০৪ ২২:০৭:০০
টিকটকারদের জন্য চাঞ্চল্যকর তথ্য

সোশ্যাল মিডিয়া এবং ছোট ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। স্থানীয় সময় আজ বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত অ্যাপটি ইন্দোনেশিয়ায় ছিল তবে পরে আর অ্যাপটির খোজ পাওয়া যায়নি।

টিকটক ইন্দোনেশিয়া থেকে তার ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছে প্রধানত সাম্প্রতিক সরকারী আদেশের কারণে। গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান একটি সভায় বলেছিলেন:, ‘ইন্দোনেশিয়ায় এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর ই-কমার্স এক হয়ে গেছে। এভাবে চলতে পারে না...দু’টি সম্পূর্ণ আলাদা। সবাইকে নিজ নিজ জায়গার মধ্যে থাকতে হবে।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো, টিক টোক ইন্দোনেশিয়ার একটি খুব জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্রে বসবাসকারী 17.৮ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে ১২.৫ মিলিয়ন মানুষ টিকটক ব্যবহার করে।

বিপুল ব্যবহারকারী থাকার ফলে টিকটককে ঘিরে বিশাল ই-কমার্স নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে দেশটিতে। বিক্রেতাদের অনেকেই তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন বা প্রচারকাজ চালানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ রাখতে টিকটককে ব্যবহার করা শুরু করেন।

এতে একদিকে টিকটকে জনপ্রিয় বিক্রেতাদের পণ্য বিক্রিতে ব্যাপক সুবিধা হলেও হতে থাকেন অন্যান্য বিক্রিতারা উপকৃত হননি। সরকারও তার প্রাপ্য কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।

বিশ্বের যেসব দেশ টিকটকের ই-কমার্সে যুক্ত হওয়ার অনুমোদন দিয়েছিল, ইন্দোনেশিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। ২০২১ সালের শুরুর দিকে দেশটিতে পাইলট আকারে ই-কমার্স খাতে যুক্ত হয় টিকটক।

টিকটক যুক্ত হওয়ার পর থেকে রীতিমতো ফুলে-ফেঁপে উঠতে থাকে ইন্দোনেশিয়ার ই-কমার্স খাত। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটির ই-কমার্স খাতের আকার ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার, ২০১৮ সালের তুলনায় এই আকৃতি ৬ গুণ বড়।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এই বিশাল আকারের ই-কমার্স খাত থেকে লাভবান হচ্ছে কেবল টিকটকের মালিক কোম্পানি বাইটড্যান্স এবং ইন্দোনেশিয়ার অল্প কিছু খুচরা ব্যবসায়ী— যারা ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সরকার ও অন্যান্য অসংখ্য খুচরা ব্যবসায়ীরা তেমন সুফল ভোগ করছেন না।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদাদো গত মাসে এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘আমাদের অবশ্যেই ই কমার্স খাতের বিষয়ে আরও সতর্ক ও যত্নশীল হতে হবে। যে কোনো খাত যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে— তাহলে খুবই ভাল, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সমস্যা।’

‘আমাদের অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ কারণে আমরা টিকটকের ক্রমশ ই-কমার্স খাতে রূপান্তর হওয়াকে আর সমর্থন করতে পারছি না।’

ক্রিকেট

মাত্র ১৩ রান করেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিশ্ব রেকর্ড

মাত্র ১৩ রান করেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিশ্ব রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে নেমে সর্বোচ্চ রান করার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের ...

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা, সর্বোচ্চ বেতন ১০ লাখ কে পাচ্ছেন

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা, সর্বোচ্চ বেতন ১০ লাখ কে পাচ্ছেন

আগামী একবছরের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাওয়া ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ...



রে